Saturday, April 13, 2019

পহেলা বৈশাখ ১৪২৬

বাংলা নববর্ষ ১৪২৬.....
রঙিন হোক আপনার জীবন

সবাইকে নববর্ষে শুভেচ্ছা আমার এবং আমার প্রথম ওয়েব সাইট থেকে আমার সাইটটি পতি নিয়ত নতুন লেখা যোগ করা হয় ‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর’ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলা নিকেতন ফুলে-ফলে, শস্য-শ্যামলে, সৌন্দর্যে-সমারোহে, লীলা বৈচিত্র্যে, রূপ লাবণ্যে ভরা আমাদের প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি। বছরের বিভিন্ন সময়ে অপূর্ব দৃশ্য দেখে মনে হয়, বিধাতা যেন সব সৌন্দর্য উজাড় করে দিয়েছেন। অসাধারণ সৌন্দর্য দেখে মোগল আমলে এমনকি প্রাচীনকালেও সিজার, ফ্রেডারিক, বার্নিয়ের, ইবনে বতুতা ও টেভানিয়ার প্রমুখ বৈদেশিক পর্যটক মুগ্ধ হয়েছিলেন। এদেশে ছয়টি ঋতু নিরন্তর চক্রাকারে আবর্তিত হয়ে চলছে। লীলাময়ী প্রকৃতি এখানে মুক্তহস্তে সৌন্দর্য বিতরণ করছে। তাই এ দেশকে প্রকৃতির সুরম্য লীলা নিকেতন বললে মোটেই অত্যুক্তি হবে না। বহতা নদীর মতো বয়ে চলছে সময়, কেটে যাচ্ছে বছরের পর বছর।
বাংলা নববর্ষ এবং বাঙালির প্রাণের উৎসব আয়োজন যেন এক সূত্রে গাথা। পুরাতনকে পেছনে ফেলে নিজ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বক্ষে ধারণ করে নতুন বর্ষকে বরণ করতে উদগ্রীব সারা বিশ্বের বাঙালি প্রাণ। তাই বাঙালির সর্বজনীন, অসাম্প্রদায়িক মহোৎসব কিভাবে এবং কেন এলো তা আমাদের জানা উচিত। ইতিহাস থেকে জানা যায়, ভারতবর্ষে মোগল সাম্রাজ্য শুরুর পর থেকে আরবি বছর হিজরি পঞ্জিকা অনুযায়ী কৃষিপণ্যের খাজনা আদায় করা হতো। কিন্তু হিজরি সাল চাঁদের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় কৃষি ফলনের সঙ্গে এর কোনো মিল পাওয়া যেত না। আর তখনই এ বিষয়ের সুষ্ঠু সমাধানের জন্য সম্রাট আকবর বাংলায় বর্ষপঞ্জি সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সম্রাটের আদেশ অনুযায়ী সে সময়কার বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদ আমির ফয়েজ উল্লাহ সিরাজী সৌর বছর ও আরবি হিজরি সালের ওপর ভিত্তি করে নতুন বাংলা সনের নিয়ম তৈরির কাজ শুরু করেন।
বাংলা বছর নির্ধারণ নিয়ে লেখা বিভিন্ন বইয়ের প্রাপ্ত তথ্য মতে, ১৫৮৪ খ্রি. ১০ বা ১১ মার্চ থেকে বাংলা সন গণনা শুরু হয়। তবে নতুন সালটি স¤্রাট আকবরের রাজত্বের ২৯তম বর্ষে প্রবর্তিত হলেও তা গণনা করা হয় ১৫৫৬ সালের ৫ নভেম্বর। অর্থাৎ সম্রাট আকবরের সিংহাসন আরোহণের তারিখ থেকে। প্রথমে ফসলি সন বলা হলেও পরে বঙ্গাব্দ বা বাংলা বর্ষ নামে পরিচিতি পেতে শুরু করে। এভাবে বাংলা সনের জন্মলাভ ঘটে। উল্লেখ করা যেতে পারে, ৯৬৩ হিজরির বাংলা বৈশাখ মাসের সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকায় তার সঙ্গে মিল রেখে ৯৬৩ বঙ্গাব্দের সূচনা করা হয়। অর্থাৎ শূন্য থেকে বাংলা সনের গণনা শুরু হয়নি।
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলা মাসের নামগুলো বিভিন্ন তারকারাজির নাম থেকে নেওয়া হয়েছে। যেমন- বিশাখা থেকে বৈশাখ, জ্যেষ্ঠা থেকে জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়া থেকে আষাঢ়, শ্রাবণা থেকে শ্রাবণ, ভাদ্রপদা থেকে ভাদ্র, আশ্বিনী থেকে আশ্বিন, কার্তিকা থেকে কার্তিক, অগ্রহায়ণ থেকে অগ্রহায়ণ, পৌষা থেকে পৌষ, মঘা থেকে মাঘ, ফাল্গুনী থেকে ফাল্গুন এবং চিত্রা থেকে চৈত্র। সম্রাট আকবরের সময়ে মাসের প্রত্যেকটি দিনের জন্য আলাদা আলাদা নাম প্রচলিত থাকায় জনসাধারণের মনে রাখা খুবই কষ্ট হতো। পরবর্তীতে সম্রাট শাহজাহান সাত দিনের সপ্তাহভিত্তিক বাংলায় দিনের নামকরণের কাজ শুরু করেন। ইংরেজি সাত দিনের নামের সঙ্গে কিছুটা আদলে বাংলায় সাত দিনের নামকরণ করা হয়। যেমন-সানডে রবিবার। সান অর্থ রবি বা সূর্য আর ডে অর্থ দিন। এভাবে বর্ষ গণনার রীতিকে বাংলায় প্রবর্তনের সংস্কার শুরু হয় মোগল আমলে। বর্তমানে বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাঙালিদের যোগাযোগ নিরবচ্ছিন্ন রাখার সুবিধার্র্থে বাংলাদেশের সব জায়গাতেই খ্রিস্টীয় সন ব্যবহার করা হয়। বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত পঞ্জিকা অনুসারে প্রতিবছর ১৪ এপ্রিল নববর্ষ পালিত হয়। বাংলা দিনপঞ্জির সঙ্গে হিজরি ও খ্রিস্টীয় সনের মৌলিক কিছু পার্থক্য রয়েছে। তা হলো হিজরি সাল চাঁদের সঙ্গে আর খ্রিস্টীয় সাল চলে ঘড়ির সঙ্গে। এ কারণে হিজরি সনের নতুন তারিখ শুরু হয় সন্ধ্যায় নতুন চাঁদের আগমনের মধ্য দিয়ে, ইংরেজি দিন শুরু হয় মধ্যরাতে আর বাংলা সনের শুরু হয় ভোরের সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে।
প্রাচীন আরবে ‘ওকাজ মেলা’ ইরানিদের ‘নওরোজ উৎসব’ এবং প্রাচীন ভারতীয়দের ‘দোল পূর্ণিমা’, কোরিয়ানদের ‘সোল-নাল’ আর সব বাঙালির ‘পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ’ (সামাজিক উৎসব) সবার অন্তরে ছড়িয়ে দেয় আনন্দ। বর্ষবরণের মূল আয়োজন ঢাকার রমনা বটমূলে শুরু হলেও সেই আনন্দ আয়োজনের ঢেউ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। পান্তা, ইলিশ আর নানার রকম ভর্তার বাঙালিপনায় জাতি নিজেকে খুঁজে ফেরে বর্ষবরণের ব্যস্ততায়। সাংস্কৃতিক সংগঠন উদীচী ও ছায়ানটের শিল্পীদের সম্মিলিত কণ্ঠে গান, আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের শোভাযাত্রা, মঙ্গলযাত্রা, নানা রকম বাদ্যযন্ত্র, বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিলিপি ও রং-বেরঙের বানানো মুখোশ, শাড়ি, পাঞ্জাবি ও ফতুয়া পরে ঘুরে বেড়ানোর মধ্য দিয়ে পালিত হয় পহেলা বৈশাখ। এ উপলক্ষে জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ, বিটিভিসহ বিভিন্ন স্যাটেলাইট চ্যানেল অনুষ্ঠানমালা সরাসরি সম্প্রচার করে। সরকারি ছুটির দিন থাকায় কর্মজীবী ও পেশাজীবীরা তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে বিভিন্ন মেলায় অংশগ্রহণ করে। কোটি কোটি বাঙালির এই দিনে আনন্দ বা বিনোদনের শেষ নেই। এদিন ভোরের সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে সংগীত শিল্পীরা পয়লা বৈশাখকে গানে গানে, সুর ও সংগীতের মূর্ছনায় স্বাগত জানিয়ে বরণ করে নেয়। তাই বারবার ফিরে আসে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী গানটি, যা সবাই সম্মিলিতভাবে গেয়ে ওঠে-‘এসো হে বৈশাখ, এসো, এসো...জীর্ণ পুরাতন যাক ভেসে যাক।’
সবাইকে শুভ নববর্ষ ১৪২৬

উইন্ডোজ ১০

উইন্ডোজ ১০…..

ইন্ডোজ ১০ হচ্ছে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমএর সর্বশেষ সংস্করণ। এটি উন্মোচিত হয় ২০১৪ সালের ১৪-ই সেপ্টেম্বর এবং ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই এটি মুক্তি পায়।মুক্তির পর এক বিবৃতে বলা হয়,এর পর মাইক্রোসফট আর নতুন কোনো অপারেটিং সিস্টেম উন্মোচন করবে না । উইন্ডোজ ১০ এর জন্য নতুন আপগ্রেড প্রদান করে তা আরোও উন্নত করবে
উইন্ডোজ ১০ সম্পর্কে প্রথম আভাস দেয়া হয়, সফটওয়্যার ও ওয়েব ডেভেলপারদের জন্য ২০১৪ সালের এপ্রিলে অনুষ্ঠিত মাইক্রোসফটের বার্ষিক বিল্ড সম্মেলনে। উইন্ডোজ ১০ এর লক্ষ্য মূলত ব্যবহারকারীর নিজস্ব প্রয়োজনীয় ফিচারগুলোর সঠিক ব্যবস্থা করা, যা প্রথম উইন্ডোজ ৮-এর মাধ্যমে পরিচয় করানো হয়েছিলো। এটির সাথে অতিরিক্ত সফটওয়্যার যুক্ত করার মাধ্যমে ডেস্কটপ কম্পিউটার ও ল্যাপটপের মত টাচস্ক্রিন নয় এমন ডিভাইসে ব্যাবহারকারী অভিজ্ঞতা উন্নত করা হয়েছে। এতে আরও রয়েছে উইন্ডোজ স্টোরের অ্যাপ চালানোর ক্ষমতা।


অ্যানড্রয়েড এর অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন.....



অ্যানড্রয়েড এর  অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন

ন্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম যেটি মোডিফাইড লিনাক্স কার্নেলের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে গুগল এটির উন্নয়ন করছে।
 গুগল এলএলসি প্রাথমিক ডেভেলপারদের (অ্যানড্রয়েড ইনকর্পোরেটকাছ থেকে অ্যানড্রয়েড কিনে নেয় ২০০৫ সালে ।গুগল এবং অন্যান্য মুক্ত হ্যান্ডসেট এল্যায়েন্সের সদস্যরা অ্যানড্রয়েডের 
ডেভেলপমেন্ট  রিলিজ নিয়ন্ত্রনকরে থাকে ।

 অ্যানড্রয়েড ওপেন সোর্স প্রজেক্টটি (এওএসপিঅ্যানড্রয়েডের রক্ষনাবেক্ষন এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের কাজ করে  অ্যানড্রয়েড বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেম।
অ্যানড্রয়েডের অনেক ডেভেলপার রয়েছে যারা বিভিন্ন এপ্লিকেশন তৈরী করে থাকে এখন প্রায় ৩৫ লাখের উপরেঅ্যানড্রয়েড এপ্লিকেশন রয়েছে গুগল প্লে স্টোরেগুগল প্লে স্টোর হলো গুগলের এপ্লিকেশন স্টোরযেটি অধিকাংশস্মার্টফোনের সাথে পূর্বপ্রদত্ত থাকে। ডেভেলপাররা প্রাথমিকভাবে জাভা দিয়ে প্রোগ্রাম লিখে,যেটা গুগল জাভালাইব্রেরি দ্বারা নিয়ন্ত্রন করা হয় ।
ওপেন হ্যান্ডসেট এল্যায়েন্সের শুরুর সাথে সাথে অ্যানড্রয়েডের বিতরণ উন্মুক্ত করা হয় ৫ই নভেম্বর ২০০৭ সালেযেখানে ৮০টি হার্ডওয়্যারসফটওয়্যার এবং টেলিকম কোম্পানি ছিল। তাদের সকলের উদ্দেশ্য ছিল মুক্ত আদর্শ মোবাইল প্লাটফর্ম তৈরী করা । গুগল অ্যানড্রয়েডের বেশিরভাগ কোড উন্মুক্ত করে দেয় এপ্যাচি এবং মুক্ত উৎসের লাইসেন্সের আওতায়।
অ্যানড্রয়েডের সফটওয়্যার জাভা এপ্লিকেশনের সমন্বয়ে গঠিতযা জাভার উপর ভিত্তি করে তৈরী করাএটি ডেলভিক ভার্চুয়াল মেশিনে (জেআইটি কম্পাইলেশন ব্যবহার করেজাভা কোর লাইব্রেরিতে চলে ।লাইব্রেরিটি প্রোগ্রামিং ভাষা সিতে লিখা যাতে আছে সারফেস ম্যানেজারওপেন কোর 
মিডিয়া ফ্রেমওর্য়াকএসকিউলিট রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমওপেনজিএল ইএস . ত্রি মাত্রার গ্রাফিক্স এপিআইওয়েবকিট লেআউট ইঞ্জিনএসজিএল গ্রাফিক্স ইঞ্জিনএসএসএল এবং বাইয়োনিক লিবক। অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম (যাতে লিনাক্স কার্নেল আছেপ্রায় ১২ মিলিয়ন কোডিং লাইনের সমন্বয়ে তৈরী যাতে আছে প্রায়  মিলিয়ন এক্সএমএল লাইনপ্রায় . মিলিয়ন সি (প্রোগ্রামিং ভাষালাইন. মিলিয়ন জাভা লাইন.৭৫ মিলিয়ন সি++ লাইন।


স্টার জলসা


স্টার জলসা

স্টা জলসা হল স্টার টিভি এবং ফক্স ইন্টারন্যাশনাল চ্যানেলের নেটওয়ার্ক কর্তৃক পরিচালিত একটি বাংলা ভাষায় সম্প্রচারিত সাধারণ বিনোদনমূলক চ্যানেল। চ্যানেলটি ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর চালু হয় এবং তার ব্র্যান্ড স্লোগান "চলো পাল্টাই" নাম নিয়ে বিভিন্ন পারিবারিক ঘরানার নাটকীয়তামূলক অনুষ্ঠানমালা প্রচার করে থাকে। চ্যানেলটি জনপ্রিয় আরেকটি সহোদর চ্যানেল হল জলসা মুভিজ  স্টার জলসা এইচডি।










বর্তমানে স্টার জলসায় সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানমালার তালিকা:

অর্ধাঙ্গিনী
প্রতিদিন সোম-রবি
বিকাল :০০
ময়ুরপক্ষী
প্রতিদিন সোম-রবি
বিকাল :৩০
বাজলো তোমার আলোর বেণু
প্রতিদিন সোম-রবি
সন্ধ্যা :০০
গুড়িয়া যেখানে গুড্ডু সেখানে
প্রতিদিন সোম-রবি 
সন্ধ্যা :৩০
ইরাবতীর চুপকথা
প্রতিদিন সোম-রবি
সন্ধ্যা :০০
কে আপন কে পর (টিভি ধারাবাহিক)
প্রতিদিন সোম-রবি
সন্ধ্যা :৩০
দেবী চৌধুরানী
প্রতিদিন সোম-রবি
রাত :০০
ফাগুন বউ
সোম-শনি
রাত :৩০
বিজয়িনী
প্রতিদিন সোম-রবি
রাত :০০
আমি সিরাজের বেগম
প্রতিদিন সোম-রবি
রাত :৩০
মহাপীঠ তারাপীঠ (টিভি ধারাবাহিক)
প্রতিদিন সোম-রবি
রাত ১০:০০
টেক্কা রাজা বাদশা
প্রতিদিন সোম-রবি
রাত ১০:৩০
জয় কালী কলকাত্তাওয়ালী
প্রতিদিন সোম-রবি
রাত ১১:০০

আর এই বার বছরের শেষ হয়া সেই সিরিয়াল গুলোর নাম
  1. আজ আড়ি কাল ভাব
  2. আঁচল
  3. অদ্বিতীয়া
  4. অপরাজিত (টেলিভিশন ধারাবাহিক)
  5. অগ্নিজল
  6. ভক্তের ভগবান শ্রী কৃষ্ণ
  7. ইচ্ছে ডানা
  8. ইচ্ছে নদী
  9. ইষ্টি কুটুম
  10. এখানে আকাশ নীল
  11. এবার জলসা রান্নাঘরে
  12. ওগো বধূ সুন্দরী
  13. বেহুলা
  14. বিধির বিধান
  15. বোঝেনা সে বোঝেনা (টেলিভিশন ধারাবাহিক)
  16. বউ কথা কও
  17. বধূ কোন আলো লাগল চোখে
  18. বধূবরণ
  19. ভালবাসা.কম
  20. ভাষা
  21. চারুলতা
  22. পূণ্যি পুকুর
  23. পটল কুমার গানওয়ালা
  24. প্রেমের কাহিনী
  25. চেক মেট
  26. চিরসাথী
  27. চোখের তারা তুই
  28. দেবীপক্ষ
  29. দুগ্গা দুগ্গা
  30. দূর্গা (টেলিভিশন ধারাবাহিক)
  31. দেবাদিদেব মহাদেব
  32. ধন্যি মেয়ে (টেলিভিশন ধারাবাহিক)
  33. গানের ওপারে
  34. গোপাল ভাঁড় (টেলিভিশন ধারাবাহিক)
  35. রইল ফেরার নিমন্ত্রন
  36. নীড় ভাঙ্গা ঝড়
  37. ঘরে ফেরার গান
  38. কেয়ার করি না
  39. খোকাবাবু (টিভি ধারাবাহিক
  40. কুসুম দোলা
  41. জানি দেখা হবে
  42. জল নুপূর
  43. ঝাঁঝ লবঙ্গ ফুল
  44. যত হাসি তত রান্না
  45. কানামাছি
  46. কুন্দ ফুলের মালা
  47. কিরণমালা
  48. কন্যা তুই মেগাস্টার
  49. মা (টেলিভিশন ধারাবাহিক)
  50. মহাভারত (টেলিভিশন ধারাবাহিক)
  51. মহানায়ক (টেলিভিশন ধারাবাহিক)
  52. মেঘের পালক
  53. মন নিয়ে কাছাকাছি
  54. মেমবউ
  55. মৌচাক
  56. মুখোশ মানুষ
  57. সেদিন দুজনে
  58. সব চরিত্র কাল্পনিক
  59. সখী
  60. সংসার সুখের হয় রমণীর গুনে
  61. সিন্দূর খেলা
  62. সপ্ন হলেও সত্যি
  63. টাপুর টুপুর
  64. ঠিক যেন লাভ স্টোরি
  65. তোমাকে চাই
  66. তোমার জন্য
  67. তোমায় আমায় মিলে (টেলিভিশন ধারাবাহিক)
  68. তুমি আসবে বলে

বাস্তবিক অনুষ্টানসমূহ(রিয়েলিটি শো)
  1. আমার বর সুপারস্টার
  2. ১০০০ঘন্টা
  3. আই লাফ ইউ
  4. কোটি টাকার বাজি